৭ নম্বর সংকেত,ফণি আরো শক্তিশালী

CNN BANGLA: উপকূলে উদ্বেগ বাড়িয়ে মারাত্মক প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘ফণি’ ক্রমে ভারতের ওড়িশা উপকূলের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে। যত সময় যাচ্ছে, ফণি ততই শক্তিশালী হয়ে উঠছে।

এদিকে ফণি আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠায় বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে সাত নম্বর বিপদ সংকেত, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ছয় নম্বর ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

দুর্যোগ মোকাবিলায় বুধবার থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ সরকার। ফণির প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলাসমূহের নিম্নাঞ্চল ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত এবং ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

ভারতের আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী শুক্রবার বিকেলে ওড়িশায় আছড়ে পড়তে পারে ফণি। স্থলভূমিতে আছড়ে পড়ার সময় ঘণ্টায় সর্বাধিক ২০০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে।

ফণি মঙ্গলবার গভীর রাতেই মারাত্মক হয়ে ওঠে । বুধবার সন্ধ্যায় কলকাতা থেকে এক হাজার এবং দিঘা থেকে ৮০০ কিলোমিটার দূরে ছিল এটি। পুরী থেকে তার দূরত্ব ছিল ৬১০ কিলোমিটার।

ফণির দাপটে শুক্রবার থেকেই ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। এর দাপট বাড়তে পারে শনিবার। বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। ওড়িশার উপকূলীয় অঞ্চলে কোথাও কোথাও বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০০ মিলিমিটার ছাড়াতে পারে বলে ভারতীয় আবহাওয়া অফিস পূর্বাভাস দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণি সামান্য উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।